- আপনাদের পিক করা হবে – বাস স্টেশন থেকে / রেল স্টেশন থেকে / শহরের বা রাধা নগর এলাকার যে কোন হোটেল থেকে। যে পর্যটন স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- বদ্ধ ভূমি
- ফিনলে চা বাগান
- রাবার বাগান
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
- খাসিয়া আদিবাসী গ্রাম
- নূর জাহান চা বাগান
- মাধবপুর লেইক
- বি-টি-আর-আই (বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র)
- মনিপুরী হস্তশিল্প (কাপড়) দোকান
- সাত কালার চায়ের দোকান
- আপনাকে যে জায়গা থেকে পিক করা হবে, সেখানে ড্রপ করা হবে।
- সময় – সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এর মধ্যে।
- ৮ টি সিট
- এই ভাড়ায় রয়েছে – তেল ও চালক এবং ছুটির দিন ব্যতীত
- ছুটির দিন হলে, ৭০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে
- পিক আপ ও ড্রপ অফ দূরবর্তী হলে, ১০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন

- আপনাদের পিক করা হবে – বাস স্টেশন থেকে / রেল স্টেশন থেকে / শহরের বা রাধা নগর এলাকার যে কোন হোটেল থেকে। যে পর্যটন স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- বদ্ধ ভূমি
- ফিনলে চা বাগান
- রাবার বাগান
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
- খাসিয়া আদিবাসী গ্রাম
- নূর জাহান চা বাগান
- মাধবপুর লেইক
- বি-টি-আর-আই (বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র)
- মনিপুরী হস্তশিল্প (কাপড়) দোকান
- সাত কালার চায়ের দোকান
- নিচের এই জায়গা এড করতে পারবেন এই প্যাকেজে
- বাইক্কা বিল (শীতকাল)
- লাল পাহাড়
- হাম হাম জল প্রফাত
- গিরি খাত
- গলফ মাঠ
- ২য় বিশ্ব যুদ্ধের ব্রিটিশদের সমাধি
- আপনাকে যে জায়গা থেকে পিক করা হবে, সেখানে ড্রপ করা হবে।
- সময় – সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এর মধ্যে।
- ৮ টি সিট
- এই ভাড়ায় রয়েছে – তেল ও চালক এবং ছুটির দিন ব্যতীত
- ছুটির দিন হলে, ৫০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে
- পিক আপ ও ড্রপ অফ দূরবর্তী হলে, ১০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
- আপনাদের পিক করা হবে – বাস স্টেশন থেকে / রেল স্টেশন থেকে / শহরের বা রাধা নগর এলাকার যে কোন হোটেল থেকে। যে পর্যটন স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- বদ্ধ ভূমি
- ফিনলে চা বাগান
- রাবার বাগান
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
- খাসিয়া আদিবাসী গ্রাম
- নূর জাহান চা বাগান
- মাধবপুর লেইক
- বি-টি-আর-আই (বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র)
- মনিপুরী হস্তশিল্প (কাপড়) দোকান
- সাত কালার চায়ের দোকান
- নিচের এই জায়গা এড করতে পারবেন এই প্যাকেজে
- বাইক্কা বিল (শীতকাল)
- লাল পাহাড়
- হাম হাম জল প্রফাত
- গলফ মাঠ
- ২য় বিশ্ব যুদ্ধের ব্রিটিশদের সমাধি
- আপনাকে যে জায়গা থেকে পিক করা হবে, সেখানে ড্রপ করা হবে।
- সময় – সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এর মধ্যে।
- ৩ টি সিট
- এই ভাড়ায় রয়েছে – তেল ও চালক এবং ছুটির দিন ব্যতীত
- ছুটির দিন হলে, ৫০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে
- পিক আপ ও ড্রপ অফ দূরবর্তী হলে, ১০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
- আপনাদের পিক করা হবে – বাস স্টেশন থেকে / রেল স্টেশন থেকে / শহরের বা রাধা নগর এলাকার যে কোন হোটেল থেকে। যে পর্যটন স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- বদ্ধ ভূমি
- ফিনলে চা বাগান
- রাবার বাগান
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
- খাসিয়া আদিবাসী গ্রাম
- নূর জাহান চা বাগান
- মাধবপুর লেইক
- বি-টি-আর-আই (বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র)
- মনিপুরী হস্তশিল্প (কাপড়) দোকান
- সাত কালার চায়ের দোকান
- নিচের এই জায়গা এড করতে পারবেন এই প্যাকেজে
- বাইক্কা বিল (শীতকাল)
- হাম হাম জল প্রফাত
- গলফ মাঠ
- ২য় বিশ্ব যুদ্ধের ব্রিটিশদের সমাধি
- আপনাকে যে জায়গা থেকে পিক করা হবে, সেখানে ড্রপ করা হবে।
- সময় – সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এর মধ্যে।
- ৩ টি সিট
- এই ভাড়ায় রয়েছে – তেল ও চালক এবং ছুটির দিন ব্যতীত
- ছুটির দিন হলে, ৫০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে
- পিক আপ ও ড্রপ অফ দূরবর্তী হলে, ১০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
- আপনাদের পিক করা হবে – বাস স্টেশন থেকে / রেল স্টেশন থেকে / শহরের বা রাধা নগর এলাকার যে কোন হোটেল থেকে। যে পর্যটন স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- বদ্ধ ভূমি
- ফিনলে চা বাগান
- রাবার বাগান
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
- খাসিয়া আদিবাসী গ্রাম
- নূর জাহান চা বাগান
- মাধবপুর লেইক
- বি-টি-আর-আই (বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র)
- মনিপুরী হস্তশিল্প (কাপড়) দোকান
- সাত কালার চায়ের দোকান
- নিচের এই জায়গা এড করতে পারবেন এই প্যাকেজে
- বাইক্কা বিল (শীতকাল)
- হাম হাম জল প্রফাত
- আপনাকে যে জায়গা থেকে পিক করা হবে, সেখানে ড্রপ করা হবে।
- সময় – সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এর মধ্যে।
- ৯ টি সিট
- এই ভাড়ায় রয়েছে – তেল ও চালক এবং ছুটির দিন ব্যতীত
- পিক আপ ও ড্রপ অফ দূরবর্তী হলে, ১০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
- স্থানীয় পেশাদার দক্ষ গাইড
- শ্রীমঙ্গলের সব পর্যটন এলাকায় গাইড সার্ভিসের এই মূল্য
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
- স্থানীয় পেশাদার দক্ষ গাইড
- শ্রীমঙ্গলের সব পর্যটন এলাকায় গাইড সার্ভিসের এই মূল্য
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
১ম দিনঃ আপনি খুব ভোরে খুলনা বা মংলায় পৌছবেন। খুলনায় যেতে পারেন রাতের ট্রেইনে বা বাসে। মংলায় বাসে যেতে পারবেন। সুন্দরবন ভ্রমন যাত্রা শুরু করার আগে আপনাকে জাহাজে আপনার তথ্যগুলো যাচাই করে জাহাজে প্রবেশ করবেন। আপনাদের স্বাগত পানীয় এবং সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হবে। যদি জাহাজ হাড়বাড়িয়া অথবা আন্দার মানিকের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলে বিকেলে সেখানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। হারবাড়িয়া অথবা আন্দার মানিক ভ্রমণ করার পর জাহাজে ফিরবেন। তারপর দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হবে। খাবারের শেষ হওয়ার পর অথবা চলাকালীন জাহাজ কটকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে এবং কটকায় রাত্রি যাপন করবেন।
২য় দিনঃ পরের দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিবেন। সকালের নাস্তার পূর্বে কটকা অফিস এর আশেপাশে ভ্রমণ করবেন। খুব কাছ থেকে হরিণ দেখবেন। তারপর টাইগার টিলায় নেওয়া হবে। টাইগার টিলা ভ্রমণ শেষে জাহাজে ফিরে সকালের নাস্তা করবেন। নাস্তার পর জাহাজ চলতে থাকবে কটকা জামতলা সমুদ্র সৈকতের দিকে। জামতলা সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করবেন। দেখার পর জাহাজে ফিরবেন। জাহাজ যাত্রা শুরু করবে জাকজমকপূর্ণ হীরন পয়েন্ট, দুবলার চর, কচিখালীতে। আপনার ভ্রমণ মুহুর্ত আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় করার জন্য সন্ধ্যায় পর বার-বি-কিউ এর ব্যবস্থা করা হবে। রাত্রি যাপনের জন্য উপযুক্ত স্থানে জাহাজ নোঙর করা হবে – জয়মনি অথবা করমজল এ।
৩য় দিনঃ এই দিন খুব ভোরে করমজল পরিবেশ বান্দব ভ্রমণ কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। করমজল দেখার পর জাহাজে ফিরবেন এবং সকালের নাস্তা শেষ করে ডাংমারীতে বিশেষ আকর্ষণ আদিবাসী গ্রাম পরিদর্শন করতে পারেন। গ্রাম ভ্রমণের পর জাহাজে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হবে । খাবারের পর জাহাজ খুলনা বা মংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। বিশেষ নাস্তা পরিবেশন এর পর জাহাজ ছাড়ার পূর্বে প্রস্থানের জন্য প্রস্তুতি নিবেন। বিকেল ৪ টা অথবা ৫ টায় আপনাদের খুলনায় নামানো হবে। আপনি চাইলে মংলায় নামতে পারবেন।
| লোক সংখ্যা | অপশন-১(নন এসি) | অপশন- ২(এসি) |
|---|---|---|
| প্রতি জন | ১০,০০০ টাকা | ১৮,০০০ টাকা |
| যা এই খরচে অন্তর্ভূক্তঃ |
|---|
| (অপশন ১) জাহাজের কেবিন, কমন বাথরুম, সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার – মাছ, মাংস, সবজি, ডাল, বার-বি-কিউ, বিকালের নাস্তা, সর্বক্ষন চা কপি, অনুমতি, গাইড, প্রবেশ ফি। (সংযুক্ত বাথরুমসহ রুম হলে ১০০০ টাকা যোগ হবে)। (অপশন ২) অপশন ১ এর মত সব খাবার, অনুমতি, গাইড ও বিলাস বহুল জাহাজে সংযুক্ত বাথ্রুমসহ রুম এর সুযোগ ব্যবস্থা। |
পরিদর্শনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নি
- সুন্দরবন ভ্রমণ করার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং সেখানকার জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে আকর্ষণীয় ধারণা পাবেন।
- এই ভ্রমণ সেবাতে জাহাজে থাকা, খাবার, ভ্রমণ গাইড, নৌকা ভ্রমণ, পাখি পর্যবেক্ষণ, বন্য প্রানী স্থান পর্যবেক্ষণ এবং আদিবাসী গ্রাম দেখার মত উল্লেখযোগ্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- শীতে সুন্দরবনে গেলে অবশ্যই শীতের ভারী পোশাক নিতে হবে।
- যেহেতু শহর থেকে অনেক দূরে থাকতে হবে, সেহেতু প্রয়োজনীয় জিনিস ঔষধ সাথে রাখতে হবে।
- দল বিহীন সুন্দরবনে হাঁটা নিরাপদ নয়। দলে বন বিভাগের একজন নিরাপত্তারক্ষীর সহিত থাকতে হবে।
- ট্যুর গাইডের কথা মেনে চলতে হবে, কারন তিনি এই এলাকার সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানেন।
- সুন্দরবনে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, তাই পূর্বেই এ বিষয়ে অবগত থাকুন।
- জীববৈচিত্রের কোন ধরনের ক্ষতি করা যাবে না। বনের ভিতরে যথাসম্ভব নীরব থাকতে হবে, যদি আপনি বন্য প্রানী দেখতে ও প্রকৃতি উপভোগ করতে চান।
- যেখানে সেখানে প্লাস্টিক, পলিতিন অপচনশীল বর্জ্য ফেলা নিষেধ।
- জোয়ার ভাটার উপর নির্ভর করবে, কতটি স্থান ভ্রমন করা যেতে পারে।
- বুক ও পরিশোধ করুন অথবা কল করুন
অপশন – ১ (সহজ), সকালে শ্রীমঙ্গলে আপনার হোটেল থেকে অথবা রেল ষ্টেশন / বাস ষ্টেশন থেকে নিয়ে যাত্রা শুরু হবে। রাস্তায় প্রথমে চা বাগান পরিদর্শন করবেন, রাবার বাগানে কিছুক্ষন হাটতে পারেন, এর পর লাউয়াছড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা। লাউয়াছড়ায় আপনাকে কিছুক্ষন হাটতে হবে, এক ঘন্টা হাটা সম্ভব হলে বন্যপ্রানী, আদিবাসী গ্রাম, লেবু বাগান ও পানের বাগান দেখতে পারবেন। দুপুরে খাবারের উদ্দেশ্যে শহরে রওয়ানা। খাবারের পরই, পুনরায় যাত্রা উচু উচু চা বাগানে বেষ্টিত পাহাড় – নূর জাহান এর উদ্দেশ্যে অথবা দার্জিলিং টিলা, মাধবপুর লেইক ভ্রমন, দিনের শেষে মনিপুরী হস্তশিল্পের দোকানে কাপড় কেনাকাটা করতে পারেন। অবশেষে সাত রংয়ের চায়ের স্বাদ নিতে পারেন। শেষ বিকেলে বা সন্ধায় হোটেলের উদ্দেশ্যে ফেরত।
অপশন – ২ ( এডভেঞ্চার), হামহাম ঝর্না ভ্রমনের উদ্দেশ্যে সকালে যাত্রা। কঠিন পথ যাত্রায় আপনি শারিরীকভাবে সক্ষম হতে হবে। কারন উচু নিচু প্রায় ৫ টি পাহাড়ে ৫ কিলোমিটার অতিক্রম করতে হবে। যাওয়ার পথে, ছড়া অতিক্রম করবেন। বর্ষায় যদিও বেশি পানি থাকে, তবুও কষ্টকর হয়। ফেরার পথে চা বাগান পরিদর্শন করতে পারবেন।
| লোক সংখ্যা | জন প্রতি টাকা |
|---|---|
| ১ | ৩৬০০ |
| ২ | ২১০০ |
| ৩ | ১৬০০ |
| ৪ | ২১০০ |
| ৫ | ১৮০০ |
| ৬ | ১৬০০ |
| ৭ | ১৪০০ |
| ৮ | ১৩০০ |
| ৯ + | ১২০০ |
| যা এই খরচে অন্তর্ভূক্তঃ |
|---|
| সি-এন-জি / রিজার্ভ জিপ (চান্দের গাড়ী – নন এসি), প্রবেশ ফি, পার্কিং ফি, স্থানীয় গাইড, দুপুরের খাবার- সাদা ভাত / বিরানী, মোরগের মাংস (২ টি অংশ) / মাছ (১ টি অংশ), সবজি, ডাল, চা ও পানি। |
অপশন – ১, সকালে কার আপনার হোটেল থেকে নিয়ে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। প্রথমে রাতার গুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা। সেখানে নৌকায় ভ্রমন করবেন কমপক্ষে ১ ঘন্টা। শীতকালে বনে হাঁটা সম্ভব। এখানের মূল আকর্ষন হচ্ছে নৌকায় জলাশয়ে ভ্রমন করে সুন্দরবনের / আমাজন বনের অনুভুতি পাবেন। তারপর রওয়ানা সাদা পাথরের উদ্দেশ্যে। পৌছার পর নৌকা আপনাকে নদী পথে ভ্রমনের মাধ্যমে ভারতে পাহাড়ী দৃশ্য অনুভব করবেন। গন্তব্য স্থানে নেমে কিছুক্ষন হাটতে পারেন, এখানে গোসল করা যেতে পারে। কমপক্ষে ১ ঘন্টা অতিবাহিত করার পর, নৌকা আপনাকে ফেরত আনবে। পরিদর্শন শেষে কারে আপনার হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।
অপশন – ২, সকালে জাফলং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন, প্রায় ১ ঘন্টা কারে ভ্রমন করবেন, জাফলং এ পৌছার কিছু আগেই দেখতে পারবেন অনেক জল প্রফাত ও পাহাড় ভারতের সীমান্তে অবস্থিত। সেখানে নেমে কিছক্ষন হাঁটলেই পৌছে যাবেন জিরো পয়েন্টে। এখানে দেখতে পারবেন ভারতে অবস্থিত ঝুলন্ত সেতু। নদী অতিক্রম করে যেতে পারেন খাশিয়া আদিবাসীদের গ্রামে, তাদের জীবন যাত্রা আপনাকে মুগ্ধ করবে। দূপুরে আশেপাশে খাবারের রেস্তোরাতে লাঞ্চ করতে পারেন। এরপরই লালাখাল – নীল পানীর নদীতে নৌকায় ভ্রমন করবেন। এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি গ্রহন করুন। কমপক্ষে ১ ঘন্টায় নৌকায় ভ্রমন করা সম্ভব। সন্ধ্যায় ভ্রমন শেষ, হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
| লোক সংখ্যা | জন প্রতি |
|---|---|
| ১ | ৬০০০ টাকা |
| ২ | ৩৬০০ টাকা |
| ৩ | ৩০০০ টাকা |
| ৪ | ২৮০০ টাকা |
| ৫ | ২১০০ টাকা |
| ৬ | ২২০০ টাকা |
| ৭ | ২০০০ টাকা |
| ৮ | ২২০০ টাকা |
| ৯ | ২০০০ টাকা |
| ১০ + | ১৯০০ টাকা |
| যা এই খরচে অন্তর্ভূক্তঃ |
|---|
| রিজার্ভড এসি কার, নৌকা, প্রবেশ ফি, পার্কিং ফি ও দুপুরের খাবার । |
১ম দিনঃ ঢাকা থেকে সকালে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা। ট্রেইন ৭ ঘন্টা সময় লাগে। ২ টার সময় সিলেটে পৌছে, হোটেলে চেক ইন করবেন। দুপুরের খাবারের পর, শাহজালাল মাজার ও ব্রিটিশ আমলের কিন ব্রিজ ভ্রমণ। হোটেলে রাত্রি যাপন।
২য় দিনঃ সকালে কার আপনার হোটেল থেকে নিয়ে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। প্রথমে রাতার গুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা। সেখানে নৌকায় ভ্রমন করবেন কমপক্ষে ১ ঘন্টা। শীতকালে বনে হাঁটা সম্ভব। এখানের মূল আকর্ষন হচ্ছে নৌকায় জলাশয়ে ভ্রমন করে সুন্দরবনের / আমাজন বনের অনুভুতি পাবেন। তারপর রওয়ানা সাদা পাথরের উদ্দেশ্যে। পৌছার পর নৌকা আপনাকে নদী পথে ভ্রমনের মাধ্যমে ভারতে পাহাড়ী দৃশ্য অনুভব করবেন। গন্তব্য স্থানে নেমে কিছুক্ষন হাটতে পারেন, এখানে গোসল করা যেতে পারে। কমপক্ষে ১ ঘন্টা অতিবাহিত করার পর, নৌকা আপনাকে ফেরত আনবে। পরিদর্শন শেষে কারে আপনার হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। হোটেলে রাত্রি যাপন।
৩য় দিনঃ সকালে জাফলং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন, প্রায় ১ ঘন্টা কারে ভ্রমন করবেন, জাফলং এ পৌছার কিছু আগেই দেখতে পারবেন অনেক জল প্রফাত ও পাহাড় ভারতের সীমান্তে অবস্থিত। সেখানে নেমে কিছক্ষন হাঁটলেই পৌছে যাবেন জিরো পয়েন্টে। এখানে দেখতে পারবেন ভারতে অবস্থিত ঝুলন্ত সেতু। নদী অতিক্রম করে যেতে পারেন খাশিয়া আদিবাসীদের গ্রামে, তাদের জীবন যাত্রা আপনাকে মুগ্ধ করবে। দূপুরে আশেপাশে খাবারের রেস্তোরাতে লাঞ্চ করতে পারেন। এরপরই লালাখাল – নীল পানীর নদীতে নৌকায় ভ্রমন করবেন। এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি গ্রহন করুন। কমপক্ষে ১ ঘন্টায় নৌকায় ভ্রমন করা সম্ভব। সন্ধ্যায় ভ্রমন শেষ, হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা। হোটেলে রাত্রি যাপন।
৪র্থ দিনঃ সকালে নাস্তার পর, ট্রেইন স্টেশনে রওয়ানা। ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা। বিকালে ঢাকায় পৌছা। ভ্রমণ সমাপ্তি।
| লোক সংখ্যা | জন প্রতি |
|---|---|
| ১ | ৫৩,০০০ টাকা |
| ২ | ২৬,০০০ টাকা |
| ৩ | ২১,৭০০ টাকা |
| ৪ | ১৮,০০০ টাকা |
| ৫ | ১৭,৩০০ টাকা |
| ৬ | ১৫,০০০ টাকা |
| ৭ | ১৪,০০০ টাকা |
| ৮ + | ১২,৮০০ টাকা |
| যা এই খরচে অন্তর্ভূক্তঃ |
|---|
| এসি ট্রেইন টিকেট ঢাকা – সিলেট, হোটেল ৩ স্টার কেটাগরি- কাপল বেড, রিজার্ভ এসি কার সিলেটে ভ্রমনের জন্য, নৌকা, প্রবেশ ফি, পার্কিং ফি, সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার । |